মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

পরিষদের কাযাবর্লী কাযর্ধারায়

  

পরিষদের কাযাবর্লী কাযর্ধারায়

 

৪৪।(১) পরিষদের সকল কাযাবর্লী বিধি দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ও পদ্ধতিতেপরিষদের সভায় অথবা স্থায়ী কমিটিসমূহের সভায় অথবা উহার চেয়ারম্যান, সদস্য, কর্মকর্তা বা কর্মচারী কতৃর্ক কাযর্ধারায় হইবে।
(২) কোন পদ শূন্যথাকিলে বা পরিষদের গঠন প্রক্রিয়ায় কোন ত্রুটি রহিয়াছে কিংবা পরিষদের বৈঠকেউপস্থিত হইবার বা ভোটদানে বা অন্য উপায়ে ইহার কাযর্ধারায় অংশগ্রহণে অধিকারনা থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কায করিয়াছেন কেবল এই কারণে পরিষদেরকোন কায বা কাযধারা অবৈধ হইবে না।
(৩) পরিষদের প্রত্যেক সভার কাযবিবরণী এই উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত একটি বইয়ে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
(৪)সভার কাযবিবরণী স্বাক্ষরিত হইবার পর যথাশীঘ্র সম্ভব পরিষদের সকল সিদ্ধান্তউপজেলা নিবার্হী অফিসারের নিকট প্রেরণ করিয়া অনুলিপি ডেপুটি কমিশনারেরনিকট প্রেরণ করিতে হইবে।

  
 
  
   

 

 

স্থায়ী কমিটি গঠন ও উহার কাযাবর্লী

 

৪৫।(১) ইউনিয়ন পরিষদ উহার কাযাবর্লী সুচারুরূপে সম্পাদন করিবার জন্য পরিষদেরদায়িত্বভার গ্রহণের পর প্রথম সভা অনুষ্ঠানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যেনিম্নবর্ণিত বিষয়াদির প্রত্যেকটি সম্পর্কে একটি করিয়া স্থায়ী কমিটি গঠনকরিবে যাহার মেয়াদ সবোর্চ্চ দুই বৎসর ছয় মাস হইবে, যথাঃ-
(ক) অর্থ ও সংস্থাপন;
(খ) হিসাব নিরীক্ষা ও হিসাব রক্ষণ;
(গ) কর নিরুপন ও আদায়;
(ঘ) শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা;
(ঙ) কৃষি, মৎস্য ও পশু সম্পদ ও অন্যান্য অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক কাজ;
(চ) পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন, সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ, ইত্যাদি;
(ছ) আইন-শৃংখলা রক্ষা;
(জ) জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন;
(ঝ) স্যানিটেশন, পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিস্কাশন;
(ঞ) সমাজকল্যাণ ও দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা;
(ট) পরিবেশ উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ;
(ঠ) পারিবারিক বিরোধ নিরসন, নারী ও শিশু কল্যাণ (পাবর্ত্য চট্রগ্রামের অধিবাসীদের জন্য প্রযোজ্য হইবে না);
(ড) সংস্কৃতি ও খেলাধুলা।
(২)উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত স্থায়ী কমিটি ব্যতীত পরিষদ, এই আইনের বিধানসাপেক্ষে, প্রয়োজনে, ডেপুটি কমিশনারের অনুমোদনক্রমে, অতিরিক্ত স্থায়ী কমিটিগঠন করিতে পারিবে।
(৩) স্থায়ী কমিটির সভাপতি কো-অপট সদস্য ব্যতীতপরিষদের সদস্যগণের মধ্য হইতে নিবার্চিত হইবেন এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষিতআসন হইতে নিবার্চিত সদস্যগণ অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ স্থায়ী কমিটির সভাপতিথাকিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শুধুমাত্র আইন শৃংখলা বিষয়ক কমিটির সভাপতি থাকিবেন।
(৪)স্থায়ী কমিটি পাঁচ হইতে সাত সদস্য বিশিষ্ট হইবে এবং কমিটি প্রয়োজনে, সংশিস্নষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কোন একজন ব্যক্তিকে কমিটির সদস্য হিসাবে কো-অপটকরিতে পারিবে, তবে কো-অপট সদস্যের কোন ভোটাধিকার থাকিবে না।
(৫)অন্যান্য সদস্যগণ স্থানীয় জনসাধারণের মধ্য হইতে সংশ্লিষ্ট কমিটিতে অবদানরাখিবার যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের মধ্য হইতে মনোনীত হইবেন।
(৬)স্থায়ী কমিটির সুপারিশ পরিষদের পরবর্তী সভায় বিবেচনার পর গৃহীত হইবে; তবেকোন সুপারিশ ইউনিয়ন পরিষদে গৃহীত না হইলে তাহার যথার্থতা ও কারণ লিখিতভাবেস্থায়ী কমিটিকে জানাইতে হইবে।
(৭) স্থায়ী কমিটির সকল কার্যধারা পরিষদের সাধারণ সভার অনুমোদন সাপেৰে চূড়ান্ত হইবে।
(৮) নিম্নলিখিত কারণে পরিষদ কোন স্থায়ী কমিটি ভাঙ্গিয়া দিতে পারিবে, যথা :-
(ক) বিধি মোতাবেক নিয়মিত সভা আহ্বান করিতে না পারিলে;
(খ) নির্ধারিত ৰেত্রে ক্রমাগতভাবে পরিষদকে পরামর্শ প্রদানে ব্যর্থ হইলে; অথবা
(গ) এই আইন বা অন্য কোন আইনের বিধান বহির্ভূত কোন কাজ করিলে।
(৯) প্রত্যেক স্থায়ী কমিটি প্রতি দুইমাস অনত্দর সভায় মিলিত হইবে, তবে প্রয়োজনে অতিরিক্ত সভা অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।
(১০)স্থায়ী কমিটির কার্যাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে, তবে উক্তরূপপ্রবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত পরিষদের সাধারণ সভায় স্থায়ী কমিটিরকার্যাবলী নিরূপন করা যাইবে।

  
 
  
   

 

 

পরিষদের নিবার্হী ক্ষমতা

 

৪৬। (১) এই আইনের উদ্দেশ্য সাধন এবং পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নকল্পে চেয়ারম্যান পরিষদের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করিবেন।
(২) এই আইনের অন্যান্য ধারায় বর্ণিত বিষয়সমূহকে ক্ষুণ্ন না করিয়া চেয়ারম্যান নিম্নরূপ দায়িত্বসমূহ পালন করিবেন, যথা :-
(ক) তিনি পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং সভা পরিচালনা করিবেন;
(খ) পরিষদের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর কাজ কর্ম তদারকী ও নিয়ন্ত্রণ করিবেন এবং তাঁহাদের গোপনীয় প্রতিবেদন প্রস্তুত করিবেন;
(গ) সরকার বা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত ব্যয় সীমা পর্যন্ত ব্যয় নির্বাহ করিবেন;
(ঘ) তিনি বা পরিষদের সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে পরিষদের সকল আয় ব্যয়ের হিসাব পরিচালনা করিবেন;
(ঙ) পরিষদের ব্যয় মিটানো এবং পাওনা আদায়ের জন্য কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে ক্ষমতা অর্পণ করিবেন;
(চ) এই আইনের অধীন প্রয়োজনীয় সকল বিবরণী ও প্রতিবেদন প্রস্তুত করিবেন;
(ছ) এই আইন বা বিধি দ্বারা আরোপিত অন্যান্য ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩)চেয়ারম্যান, পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে, আইন, অধ্যাদেশ বা বিধি-বিধান এরপরিপন্থী নয়, এইরূপ জনস্বার্থ বা জনগুরম্নত্বপূর্ণ কোন জরম্নরি কাজসমপাদনের জন্য নির্দেশ দিতে পারিবেন, এবং এই ধরনের কার্য সমপাদনের ব্যয়ভারপরিষদ তহবিল হইতে বহনের নির্দেশ দিতে পারিবেন।
(৪) উপ-ধারা (৩)অনুযায়ী গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে চেয়ারম্যান পরিষদের পরবর্তী সভায়প্রতিবেদন উপস্থাপন করিবেন এবং উক্ত প্রতিবেদন পরিষদের সভায় অনুমোদিত হইতেহইবে।
(৫) উপ-ধারা (১), (২),(৩) ও (৪) এ বর্ণিত দায়িত্ব ছাড়াও পরিষদের চেয়ারম্যান নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা প্রয়োগ করিবেন, যথা :-
(ক)তিনি পরিষদের সভায় পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীগণ ও অন্যান্যসরকারি দপ্তরের সংশ্লিষ্টকর্মকর্তা বা কর্মচারীগণের উপস্থিতি নিশ্চিতকরিবেন;
(খ) এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধির পরিপন্থী এবং প্রশাসনিকবিশৃঙ্খলার কারণে সচিব এবং হস্তান্তরিত অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তা ওকর্মচারী ব্যতীত পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন অন্যান্য কর্মচারীগণকে প্রয়োজনেযথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করিয়া সাময়িক বরখাসত্দ করিতে পারিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, পরিষদের পরবর্তী সাধারণ সভায় উক্তরূপ সাময়িক বরখাস্ত অনুমোদিত হইতে হইবে অন্যথায় উহা কার্যকর হইবে না;
(গ)পরিষদের সচিবের নিকট হইতে পরিষদের প্রশাসনিক বিষয় সংক্রান্ত যে কোনক্লাসিফাইড রেকর্ড বা নথি লিখিতভাবে তলব করিতে এবং আইন ও নির্ধারিতপদ্ধতিতে আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন; তবে তিনি এইরূপ কোন ক্লাসিফাইড রেকর্ডবা নথি তলব করিতে পারিবেন না, যাহা সম্পূর্ণরূপে সচিব বা সংশ্লিষ্টকর্মকর্তার নিজস্ব তত্ত্বাবধানে থাকিবে;
(ঘ) এই আইন বা বিধি, প্রবিধান, ইত্যাদির পরিপন্থী এবং প্রশাসনিক বিশৃংখলা সৃষ্টির কারণে ইউনিয়নপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন অন্যান্যকর্মচারীদের বিরম্নদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রতিবেদন প্রেরণ করিতে পারিবেন;
(ঙ) তাঁহারবিবেচনায় পরিষদের কোন সিদ্ধান্ত এই আইন বা অন্য কোন আইন বা বিধি-বিধানেরপরিপন্থী হইলে, অথবা উক্তরূপ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হইলে উহা জনস্বাস্থ্য, জনস্বার্থ ও জননিরাপত্তা বিপন্ন করিবে বলিয়া বিবেচিত হইলে, তিনি উহাসরকারের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(৬) পরিষদের নির্বাহী বা অন্য কোনকার্য পরিষদের নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে এবং উহা নির্ধারিতপদ্ধতিতে প্রমাণিকৃত হইতে হইবে।
(৭) পরিষদের দৈনন্দিন সেবাপ্রদানমূলক দায়িত্ব ত্বরান্বিত করিবার লক্ষ্যে কর্মকর্তাদের মধ্যে নির্বাহীক্ষমতা বিভাজনের প্রস্তাব পরিষদের সভায় অনুমোদিত হইতে হইবে এবং, প্রয়োজনবোধে, সময়ে সময়ে, ইহা সংশোধনের এখতিয়ার পরিষদের থাকিবে।

 

 
 
  
   
  

পরিষদের কাযাবর্লী

 

৪৭। (১) পরিষদের প্রধান কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথা:-
ক) প্রশাসন ও সংস্থাপন বিষয়াদি;
খ) জনশৃংখলা রৰা;
(গ) জনকল্যাণমূলক কার্য সমপর্কিত সেবা; এবং
(ঘ) স্থানীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সমপর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।
(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত প্রধান কার্যাবলীর উপর ভিত্তি করিয়া পরিষদের কার্যাবলী দ্বিতীয় তফসিলে বর্ণিত হইল।
(৩)উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহাই থাকুক না কেন, বিশেষ করিয়া, এবং উক্তরূপউপ-ধারাসমূহের সামগ্রিকতাকে ৰুণ্ন না করিয়া, সরকার সংরক্ষিত আসনের মহিলাসদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য বিধি দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবে। তবে ইউনিয়নপরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের (টি,আর,কাবিখা, থোক বরাদ্দ ও অন্যান্য)সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের এক তৃতীয়াংশ উন্নয়ন প্রকল্প বাসত্দবায়ন কমিটিরচেয়ারম্যানের দায়িত্ব সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যকে অর্পণ করিতে হইবে।

  
 
  
   

 

 

ইউনিয়ন পরিষদের পুলিশ ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বিষয়ক কাযাবর্লী

 

৪৮।(১) সরকার, সময়ে সময়ে, চাহিদা মোতাবেক গ্রামীণ এলাকায় গ্রাম পুলিশ বাহিনীগঠন করিতে পারিবে এবং সরকার কতৃর্ক উক্ত গ্রাম পুলিশ বাহিনী নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, শৃংখলা এবং চাকুরির শর্তাবলী নিধারর্ণ করা হইবে।
(২) সরকার যেরূপ নির্দেশ প্রদান করিবে গ্রাম পুলিশ সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবে।
(৩)ডেপুটি কমিশনারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন ইউনিয়ন বা তাহার অংশবিশেষে জননিরাপত্তা ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণেরপ্রয়োজন রহিয়াছে সেই ক্ষেত্রে উক্ত এলাকার প্রাপ্তবয়স্ক সক্ষম ব্যক্তিগণকেআদেশে উল্লিখিত পদ্ধতিতে গণপাহারায় নিয়োজিত করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন আদেশ জারি করা হইলে ইউনিয়ন পরিষদ আদেশে উল্লিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করিবে।

  
 
  
   

 

 

নাগরিক সনদ প্রকাশ

 

৪৯।(১) এই আইনের অধীন গঠিত প্রতিটি পরিষদ, নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করিয়াবিভিন্ন প্রকারের নাগরিক সেবা প্রদানের বিবরণ, সেবা প্রদানের শর্তসমূহ এবংনির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সেবা প্রদান নিশ্চিত করিবার বিবরণ প্রকাশ করিবেযাহা "নাগরিক সনদ"(Citizen Charter) বলিয়া অভিহিত হইবে।
(২) সরকারপরিষদের জন্য আদর্শ নাগরিক সনদ সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রণয়ন করিবে এবংপরিষদ আইন ও বিধি সাপেক্ষে, এ নির্দেশিকার প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিবর্ধনকরিবার ক্ষমতা রাখিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধরনের পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করা হইলে, তাহা অবগতির জন্য সরকারকে অবহিত করিতে হইবে।
(৩) নাগরিক সনদ সময়ে সময়ে হাল নাগাদ করিতে হইবে।
(৪) নাগরিক সনদ সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নে নিম্নবর্ণিত বিষয় অনত্দর্ভুক্ত থাকিবে, যথা :-
(ক) প্রতিটি সেবার নির্ভূল ও স্বচ্ছ বিবরণ;
(খ) সেবা প্রদানের মূল্য;
(গ) সেবা গ্রহণ ও দাবি করা সংক্রান্ত যোগ্যতা ও প্রক্রিয়া;
(ঘ) সেবা প্রদানের নির্দিষ্ট সময়সীমা;
(ঙ) সেবা সংক্রান্ত বিষয়ে নাগরিকদের দায়িত্ব;
(চ) সেবা প্রদানের নিশ্চয়তা;
(ছ) সেবা প্রদান সংক্রান্ত অভিযোগ নিষপত্তির প্রক্রিয়া; এবং
(জ) সনদে উল্লিখিত অঙ্গীকার লংঘনের ফলাফল।

   

 

 

উন্নততর তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ও সুশাসন

 

৫০। (১) প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ সুশাসন নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে উন্নততর তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্য পুরণকল্পে সরকার আর্থিক ও কারিগরি সাহায্যসহ অন্যান্য সহায়তা প্রদান করিবে।

(৩)পরিষদ নাগরিক সনদে বর্ণিত আধুনিক সেবা সংক্রান্ত বিষয়সহ সরকারিভাবেপ্রদত্ত সকল সেবার বিবরণ উন্নততর তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নাগরিকদের জ্ঞাতকরিবার ব্যবস্থা করিবে।

 

 

 

 

 

    
 


Share with :

Facebook Twitter